নেত্রীমণ্ডলীর বৈঠকে জোট গঠনের আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে
নির্বাচন কমিশন (ইসি) আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নতুন রোডম্যাপ প্রকাশ করেছে, যা দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এই রোডম্যাপে নির্বাচন আয়োজনের বিস্তারিত সময়সূচি, প্রাথমিক প্রস্তুতি, নির্বাচনী পরিবেশ তৈরি এবং ভোট গ্রহণের কাঠামো স্পষ্টভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ইসি প্রমাণ করতে চেয়েছে যে, তারা একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রস্তুত। প্রকাশিত রোডম্যাপ অনুযায়ী, ভোটার তালিকা হালনাগাদ থেকে শুরু করে নতুন ভোটার অন্তর্ভুক্তি, ভোটকেন্দ্র সংস্কার, নির্বাচনী আসনের সীমা পুনঃনির্ধারণ, পর্যবেক্ষক নিবন্ধন, ইভিএম প্রস্তুতি ও নির্বাচনী কর্মীদের প্রশিক্ষণ—সবকিছুই ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। কমিশনের দাবি, এসব কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে জনগণের আস্থা ফেরানো ও নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। তবে এই রোডম্যাপ প্রকাশের পর রাজনৈতিক অঙ্গনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। ক্ষমতাসীন দল এটিকে সময়োপযোগী ও দায়িত্বশীল পদক্ষেপ হিসেবে স্বাগত জানিয়েছে। তাদের মতে, কমিশন নিরপেক্ষভাবে কাজ করছে এবং এই রোডম্যাপ একটি স্থিতিশীল নির্বাচনী পরিবেশ গঠনে সহায়ক হবে। অপরদিকে, বিরোধী দলগুলো রোডম্যাপকে একতরফা ও বিভ্রান্তিকর দাবি করে বলেছে—এটি শুধু সময়ক্ষেপণের কৌশল, যেখানে প্রকৃত সমস্যার সমাধানে কোনো পদক্ষেপ নেই। বিশেষজ্ঞদের মতে, রোডম্যাপ প্রকাশ করাই যথেষ্ট নয়, বরং বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াই আসল চ্যালেঞ্জ। অতীতে দেখা গেছে, অনেক সময় রোডম্যাপে সুন্দর পরিকল্পনা থাকলেও বাস্তবে তা পূর্ণরূপে কার্যকর হয়নি। বিশেষ করে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার নিরপেক্ষতা, রাজনৈতিক সহনশীলতা এবং ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে রোডম্যাপ কাগজে সীমাবদ্ধ থেকেই যাবে। নির্বাচনী পরিবেশ তৈরিতে কমিশনের করণীয় অনেক। একদিকে যেমন রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ধারাবাহিক সংলাপ চালিয়ে যাওয়া জরুরি, তেমনি প্রশাসন ও নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর জনসাধারণের আস্থা নিশ্চিত করাও প্রয়োজন। কারণ একটি অবাধ নির্বাচন শুধু সময়সূচির ওপর নয়, বরং পুরো প্রক্রিয়ার বিশ্বাসযোগ্যতার ওপর নির্ভর করে। নির্বাচন কমিশনের ভাষ্যমতে, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করে নির্বাচনের দিন ঘোষণা করা হতে পারে। তবে এই সময়ের মধ্যে রাজনৈতিক দলগুলোর অংশগ্রহণ, পর্যবেক্ষক সংস্থাগুলোর অনুমোদন এবং নির্বাচনী আইন সংশোধন—এসব বিষয়ে কার্যকর অগ্রগতি প্রয়োজন। রোডম্যাপে এসব বিষয় যুক্ত থাকলেও বাস্তবে কতটুকু অগ্রগতি হবে, সেটাই এখন দেখার বিষয়। সাধারণ জনগণ এই রোডম্যাপকে ইতিবাচকভাবে দেখলেও তারা চান এর বাস্তব প্রতিফলন। কারণ অতীতে নির্বাচন নিয়ে নানা ধরনের অভিযোগ ও সহিংসতার কারণে মানুষ আস্থাহীনতায় ভুগেছে। একটি অংশগ্রহণমূলক, সহিংসতামুক্ত ও নিরপেক্ষ নির্বাচনই পারে দেশের গণতান্ত্রিক ধারা বজায় রাখতে। সবশেষে বলা যায়, নির্বাচন কমিশনের এই রোডম্যাপ রাজনৈতিক অচলাবস্থার অবসান ঘটাতে পারে, যদি তা কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন হয় এবং সব পক্ষ এতে আস্থা রাখে। শুধু ঘোষণা নয়, দরকার সম্মিলিত প্রয়াস ও রাজনৈতিক সদিচ্ছা—যা একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মূল ভিত্তি হতে পারে।
জাতীয় বাজেট ঘিরে সংসদে তুমুল বিতর্ক প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট নিয়ে সংসদে শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্ক ও আলোচনা। চলতি অর্থবছরের জন্য অর্থমন্ত্রী যে বাজেট উপস্থাপন করেছেন, তা নিয়ে ক্ষমতাসীন ও বিরোধী দলের মধ্যে দৃষ্টিভঙ্গির পার্থক্য বেশ স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। একপক্ষ বলছে এটি একটি “উন্নয়নমুখী ও বাস্তবসম্মত বাজেট”, অন্যপক্ষ এটিকে বলছে “গণবিরোধী, ঋণনির্ভর ও সাধারণ মানুষের জন্য বোঝা।” চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটের আকার ৮ লাখ ৫০ হাজার কোটি টাকা, যেখানে ঘাটতি ধরা হয়েছে প্রায় ২ লাখ ২০ হাজার কোটি টাকা। বাজেটে মূল গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে অবকাঠামো উন্নয়ন, সামাজিক সুরক্ষা, রপ্তানিমুখী শিল্প, কৃষি এবং তথ্যপ্রযুক্তি খাতে। কিন্তু বাস্তবায়নযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ছিল মূল্যস্ফীতি ও কর কাঠামো। বিরোধী দল অভিযোগ করে বলেছে, সাধারণ মানুষ যখন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ায় দিশেহারা, তখন বাজেটে কর আরোপ ও জ্বালানির দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব জনগণের কাঁধে বাড়তি বোঝা চাপিয়ে দেবে। তারা দাবি করেন, এই বাজেট উচ্চবিত্ত ও কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানবান্ধব, যেখানে মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত শ্রেণিকে উপেক্ষা করা হয়েছে। অন্যদিকে, সরকার দলীয় সংসদ সদস্যরা বলেছেন, বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ ও জ্বালানি সংকটের মধ্যেও এই বাজেট স্থিতিশীলতা ধরে রাখবে। তারা যুক্তি দেন, রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা উচ্চ থাকলেও তা অর্জনের মাধ্যমে দেশীয় উৎপাদন ও কর্মসংস্থান বাড়বে। তবে বাজেট বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে দুর্নীতি, অদক্ষতা ও অব্যবস্থাপনা একটি বড় বাধা হবে বলে মত দিয়েছেন অর্থনীতি বিশ্লেষকরা। অনেকেই বলছেন, অতীতের অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে উন্নয়ন খাতে বড় বরাদ্দ থাকলেও সময়মতো কাজ শেষ হয় না, ফলে অর্থের অপচয় হয়। এই বাজেটে কৃষিখাতে কিছু প্রণোদনা থাকলেও, বাস্তব সহায়তা কম বলে অভিযোগ করেছে কৃষক সংগঠনগুলো। একইভাবে শিক্ষাখাতে ডিজিটাল রূপান্তরের কথা বলা হলেও, গ্রাম ও মফস্বলে প্রযুক্তির বাস্তবপ্রয়োগে ঘাটতি থাকায় তা কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়ে সন্দেহ আছে। এছাড়া আলোচনায় উঠে এসেছে সুশাসন, স্বাস্থ্য খাতের বরাদ্দ, রপ্তানি বাজারে বৈচিত্র্য আনার প্রয়োজনীয়তা, এবং তরুণদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি বিষয়ক দাবিগুলোও। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের দক্ষতা উন্নয়ন ও উদ্যোক্তাদের জন্য সহায়তা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন একাধিক সংসদ সদস্য। সংসদে এই বাজেট নিয়ে আরও কয়েকদিন আলোচনা চলবে এবং সংশোধনী প্রস্তাব উত্থাপন করা হবে। তবে এরইমধ্যে স্পষ্ট হয়ে গেছে—এই বাজেট কেবল আর্থিক দলিল নয়, বরং রাজনৈতিক বিতর্ক ও ভিশনের প্রতিফলনও বটে।
জাতীয় নির্বাচন ঘিরে উত্তপ্ত রাজনীতি: প্রধান দলগুলোর নতুন কৌশল বাংলাদেশের রাজনীতিতে জাতীয় নির্বাচন সবসময়ই একটি উত্তপ্ত এবং আলোচিত বিষয়। প্রতি পাঁচ বছর অন্তর অনুষ্ঠিত এই নির্বাচন ঘিরে রাজপথ, গণমাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরি হয় তুমুল আলোচনা, সমালোচনা এবং নানা হিসাব-নিকাশ। ২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক মাঠ ইতিমধ্যে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। বড় বড় দলগুলো নতুন কৌশল, নতুন মুখ এবং নতুন প্রতিশ্রুতি নিয়ে হাজির হচ্ছে জনগণের দরবারে। বর্তমান সরকার টানা দুই মেয়াদে ক্ষমতায় থাকার পর এখন তৃতীয়বারের মতো নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। তারা বিগত সময়ের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড, অবকাঠামোগত পরিবর্তন, ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিকে সামনে এনে জনগণের মন জয় করতে চাইছে। সরকারের পক্ষ থেকে একাধিক বড় প্রকল্পের উদ্বোধন, মেট্রোরেল, পদ্মা সেতুর বাস্তবায়ন, বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেটের প্রসার ইত্যাদিকে সাফল্যের দৃষ্টান্ত হিসেবে প্রচার করা হচ্ছে। পাশাপাশি, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও বেকারত্ব ইস্যুতে জনগণের ক্ষোভ কমাতে নানা প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে, প্রধান বিরোধী দলগুলো বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে ধরছে স্বচ্ছতা ও গণতন্ত্রের অভাবের বিষয়ে। তারা বলছে, বিগত নির্বাচনে ভোটের পরিবেশ ছিল প্রশ্নবিদ্ধ এবং জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটেনি। এবার তারা চায় একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন, যেখানে সব দল অংশগ্রহণ করতে পারবে সমান সুযোগ নিয়ে। এই দাবিকে সামনে রেখে তারা জোট গঠন, রোডম্যাপ ঘোষণা এবং আন্দোলনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। গণসংযোগ বাড়ানোর অংশ হিসেবে তারা গ্রামে-গঞ্জে, শহরে-মফস্বলে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে, যাতে জনগণের আস্থা অর্জন করা যায়। নতুন এই নির্বাচনী লড়াইয়ে তৃতীয় শক্তি বা বিকল্প রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকাও উপেক্ষা করা যাচ্ছে না। শিক্ষিত তরুণ প্রজন্ম, সোশ্যাল মিডিয়াভিত্তিক রাজনৈতিক চিন্তা এবং দুর্নীতিমুক্ত শাসনের দাবি এই দলগুলোর মূল হাতিয়ার। তারা জনগণকে ‘নতুন রাজনীতি’র স্বাদ দেওয়ার আশ্বাস দিচ্ছে। যদিও মাঠ পর্যায়ে তাদের প্রভাব এখনো সীমিত, তবে অনলাইন এবং শহুরে শিক্ষিত শ্রেণির মধ্যে তারা একটি আলোচনার জায়গা তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে। এই নির্বাচনে একটি নতুন ট্রেন্ড হচ্ছে—রাজনৈতিক কৌশলে প্রযুক্তির ব্যবহার। বিভিন্ন দল ফেসবুক, ইউটিউব, টিকটক ও অন্যান্য ডিজিটাল মাধ্যমে প্রচারণা চালাচ্ছে। ডিজিটাল প্রচারকৌশল, ইমেজ বিল্ডিং, লাইভ বিতর্ক, অনলাইন জরিপ—সবকিছুই এখন নির্বাচনী কৌশলের অংশ। বিশেষ করে তরুণ ভোটারদের আকৃষ্ট করতে সব দলেরই এখন বড় নজর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই নির্বাচনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করা। যদি জনগণ মনে করে নির্বাচন অবাধ ও নিরপেক্ষ হয়েছে, তবে তা দেশের গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করবে। কিন্তু যদি আগের মতো অভিযোগ, সহিংসতা ও অসন্তোষ সৃষ্টি হয়, তবে রাজনৈতিক অস্থিরতা আরও বাড়তে পারে। সব মিলিয়ে, সামনে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক সময় অপেক্ষা করছে বাংলাদেশের জন্য। জনগণ এখন অপেক্ষায় আছে—দলগুলো কীভাবে তাদের কথা রাখবে, কেমন হবে আগামী দিনের নেতৃত্ব, আর কোন কৌশল জনগণের আস্থা অর্জনে সফল হবে।
২০২৫ সালে বাংলাদেশের রাজনৈতিক মঞ্চে প্রধান ভূমিকা পালন করছে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী এবং নবগঠিত জাতীয় রক্ষণশীল দল (এনসিপি)। ক্ষমতাসীন কোনো বড় দল না থাকার কারণে এই তিন দলই দেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে নিজেদের অবস্থান শক্ত করার জন্য কঠোর পরিশ্রম করছে। দেশের রাজনৈতিক পরিবেশে নতুন এক ত্রিমুখী প্রতিযোগিতার সূচনা হয়েছে, যা আগামী নির্বাচনের ফলাফলে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। বিএনপি মূলত পুরনো রাজনৈতিক জনমানসিকতাকে ধরে রাখার চেষ্টা করছে এবং মাঠ পর্যায়ে পুনর্গঠন ও গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছে। দলটির নেতৃত্ব ইতোমধ্যে ঘোষণা করেছে, তারা নির্বাচনে অংশগ্রহণের পাশাপাশি নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি জানাবে। দলের শীর্ষ নেতারা মনে করেন, বর্তমান রাজনীতিতে একটি গ্রহণযোগ্য নেতৃত্বের অভাব রয়েছে, যার ফলে তারা নিজেদেরকে দেশের পরিবর্তনের একমাত্র বিকল্প হিসেবে তুলে ধরছে। অপরদিকে জামায়াতে ইসলামী তাদের সাংগঠনিক ক্ষমতা বাড়াচ্ছে এবং ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করার চেষ্টা করছে। তারা দাবি করছে, দেশের সামাজিক ও অর্থনৈতিক সমস্যাগুলো সমাধানে ইসলামী নীতিমালা প্রয়োজন এবং আধুনিক রাজনীতির সঙ্গে ঐতিহ্য সংমিশ্রণ অপরিহার্য। তৃতীয় দিক থেকে জাতীয় রক্ষণশীল দল (এনসিপি) নতুন প্রজন্মের মধ্যে জনপ্রিয়তা অর্জন করছে। তাদের লক্ষ্য মধ্যবিত্ত, প্রযুক্তিনির্ভর যুবসমাজ এবং উদ্যোক্তাদের কাছে আধুনিক, প্রগতিশীল, কিন্তু রক্ষণশীল মূল্যবোধের রাজনীতি পৌঁছে দেওয়া। দলের নেতা ফারহান রেজা বলেছেন, “আমরা দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে নতুন চিন্তার স্রোত বয়ে আনতে চাই, যা জাতীয় ঐক্য এবং স্থিতিশীলতাকে বর্ধিত করবে।” রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, এই ত্রিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেশের রাজনীতিতে নতুন গতিশীলতা সৃষ্টি করেছে, তবে এর ফলে রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং দমন-পীড়নের আশঙ্কাও বাড়ছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, “আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতিতে একটি শক্তিশালী ও স্থিতিশীল রাজনৈতিক নেতৃত্ব না থাকায় ভবিষ্যতের জন্য বেশ কিছু প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। তবে এই নতুন রাজনৈতিক পরিবেশে জনগণের কল্যাণ ও উন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে।” এই প্রেক্ষাপটে আগামী নির্বাচন কেমন হবে তা দেশবাসীর কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলো তাদের কার্যক্রম আরও জোরালো করতে শুরু করেছে এবং সাধারণ মানুষ শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করছে।
ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা। ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে। সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।” জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর। সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।
सनातन धर्म में वास्तु शास्त्र का विशेष महत्व बताया गया है. मान्यता है कि वास्तु में बताए नियम अपनाने से घर नकारात्मक ऊर्जा से मुक्त रहता है. हालांकि मौजूदा वक्त में इस विषय पर अलग-अलग समुदाय के लोग भी खुलकर अपनी राय रखने लगे हैं. हाल ही में आजतक रेडियो के शो 'प्रॉपर्टी से फायदा' में आर्किटेक्ट हाशिम अहमद ने इस्लाम में वास्तु की मान्यता को लेकर बातचीत की. उन्होंने कहा कि वास्तु किसी धर्म विशेष से जुड़ा विषय नहीं है, बल्कि यह पूरी तरह वैज्ञानिक और बेहतर जीवनशैली से संबंधित व्यवस्था है.
কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন
ইউরোপে বর্তমানে প্রচণ্ড গরমের যে ঢেউ বইছে, তা যেন আগের সব রেকর্ড ভেঙে দিচ্ছে। স্পেন, ইতালি, গ্রিস, ফ্রান্স, পর্তুগালসহ দক্ষিণ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশে তাপমাত্রা ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে গেছে। এই অস্বাভাবিক গরমে জনজীবন চরমভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। প্রতিদিনই বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা, হাসপাতালে বাড়ছে রোগীর ভিড়, আর মানুষের মধ্যে দেখা দিয়েছে আতঙ্ক ও উদ্বেগ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এবারের তাপপ্রবাহ শুধু একটি স্বাভাবিক গ্রীষ্মকালীন ঘটনা নয়, বরং এটি জলবায়ু পরিবর্তনের সরাসরি প্রভাব। গত কয়েক দশকে বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে ইউরোপের আবহাওয়ায় ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। আগে যেখানে তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রির ওপরে যেত না, এখন সেখানে ৪৫-৪৭ ডিগ্রিও স্বাভাবিক হয়ে উঠছে। এমনকি অনেক অঞ্চলে তাপমাত্রা এতটাই বেড়েছে যে আগুন লেগে যাচ্ছে বনাঞ্চলে, আর দাবানল নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খাচ্ছে দমকল বাহিনী। বিশেষ করে বয়স্ক এবং শিশুদের মধ্যে এই গরমে মৃত্যুহার বাড়ছে আশঙ্কাজনক হারে। ইতালির রোমে একদিনে অন্তত ২০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে শুধুমাত্র হিট স্ট্রোকের কারণে। ফ্রান্সে হাসপাতালগুলোতে রোগীদের জন্য ঠান্ডা ঘর তৈরি করতে হচ্ছে, আর জার্মানির কিছু এলাকায় পানি সংরক্ষণের জন্য বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছে। গরমের প্রভাবে জনজীবনের স্বাভাবিক কার্যক্রমেও পড়েছে বড় প্রভাব। রাস্তাঘাট ফাঁকা, অনেক অফিস ও দোকান বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে দুপুরের সময়। পর্যটন খাতে পড়েছে বড় আঘাত, কারণ বহু পর্যটক সফর বাতিল করছেন। কৃষিক্ষেত্রেও এর ভয়াবহ প্রভাব পড়েছে—খরায় জমির ফসল নষ্ট হচ্ছে, গবাদিপশু পানিশূন্যতায় মারা যাচ্ছে, আর কৃষকরা পড়েছেন দিশেহারা অবস্থায়। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এমন তীব্র গরম কেবল শুরু। যদি বৈশ্বিক তাপমাত্রা বাড়তে থাকে এই হারে, তাহলে আগামী কয়েক দশকে ইউরোপের দক্ষিণাঞ্চল বসবাসের অযোগ্য হয়ে উঠতে পারে। অনেক দেশ এরইমধ্যে তাদের নাগরিকদের সচেতন করতে বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে—যেমন দুপুর ১২টা থেকে ৪টা পর্যন্ত বাইরে না থাকা, পর্যাপ্ত পানি পান করা, ও ঠান্ডা জায়গায় থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। তবে শুধু পরামর্শ বা সতর্কতা যথেষ্ট নয়। অনেকেই বলছেন, এখনই যদি বিশ্ব নেতারা কার্যকর জলবায়ু পদক্ষেপ না নেয়, তাহলে এ ধরনের বিপর্যয় আরও ঘন ঘন দেখা যাবে, এবং শুধু ইউরোপ নয়, গোটা পৃথিবীর মানুষকেই এর মূল্য দিতে হবে। ইউরোপে এই গ্রীষ্মের ভয়াবহ চিত্র আমাদের মনে করিয়ে দিচ্ছে—জলবায়ু পরিবর্তন আর কোনো ভবিষ্যতের আশঙ্কা নয়, এটি এখনই ঘটছে, এবং এর প্রভাব এখনই আমাদের জীবনকে করে তুলছে হুমকির মুখে।
খেলা
বিদেশে খেলা প্রতিভা দেশে তোলা BFF–র চেষ্টায় — প্রবাসী ফুটবলারদের ‘ট্রায়াল’ ডাকা হলো
বিদেশে খেলা প্রতিভা দেশে তোলা BFF–র চেষ্টায় — প্রবাসী ফুটবলারদের ‘ট্রায়াল’ ডাকা হলো
দেশের প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরেই শিক্ষক সংকট একটি বড় সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আসছে। বিশেষ করে গ্রামীণ ও দুর্গম অঞ্চলের সরকারি প্রাথমিক বি...
Read More